প্রথম দর্শনে কীট মনে হয়, তাদের বায়ুনিরুদ্ধ পোশাকে কে যেন ম্যান্ডিবল জুড়ে দিয়ে সবুজ ধোঁয়ার মধ্যে হেঁটে যেতে বলেছে। পরে বুঝতে পারি এই বিষাক্ত কুয়াশা ছড়াচ্ছে তারাই, পিঠের ছোট বোঁচকা থেকে আশপাশের সমস্ত ফুসফুসে গুঁজে দিচ্ছে মারণ বীজ। নীরব পাইনের নিরাপদ ছায়ায় বসে দেখছি, আমাদের বাড়িটা ধুঁকছে। উঠোনে প্রায় শুয়ে পড়ে রক্তবমি করছে বাবা-মা পোষা গিনিপিগ প্রতিবেশী কাঠবিড়ালিগুলো। তীব্র যন্ত্রণায় মাথার মধ্যে আওয়াজ হচ্ছে দুম-দুম-দুম, আত্মীয়দের হৃদ-ধুকপুক আমার সেরিবেলামে ভরে দিয়ে সওয়াল করছে তামাম ফ্ল্যাশবাল্ব মাইক্রোফোন আইডেন্টিটি কার্ড।
এ ছবির নাম রাখা যেতেই পারে কলোসিয়াম। দর্শকাসনে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ নামিয়ে রেখেছি আমি; রুক্ষ বালির ওপর রক্তাক্ত হচ্ছে সমস্ত নশ্বর সূত্র।
0
Leave a Reply