সহজিয়া

জাস্ট ঢুকলাম ব্যাঙ্গালোরের বাসায়। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গতকাল কায়রো এয়ারপোর্টে দেখা একটা ঘটনা লিখে রাখি।

সিকিউরিটি চেক হয়ে গেছে। গেটের কাছে বসে আছি। বোর্ডিং শুরু হবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। হঠাৎ খেয়াল করলাম আমি যেখানে বসে আছি তার থেকে পাঁচ-ছ হাত দূরে একজন মানুষ জোহরের নামাজের জন্যে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর পেছনে এসে দাঁড়ালেন আরও দুজন। তাঁদের পাশে আরও দুজন। সামনে দাঁড়িয়ে যিনি ইমামতি করছেন, তাঁর মাথায় একটা বেসবল টুপি উলটো করে পরা। পেছনে যাঁরা দাঁড়িয়ে আছেন তাঁদের তিনজনের পায়ে বুটজুতো পরা (জানি এটা পড়েই অনেকে হাঁ হাঁ করবেন এঁদের নামাজ গ্রাহ্য হবে না বলে)। এঁরা সবাই-ই এয়ারপোর্টের মেঝেতেই জায়নামাজ বা অন্য কোনও কাপড় না পেতে নামাজ পড়ছেন (আবার হাঁ হাঁ, এয়ারপোর্টের নাপাক মেঝে, ছিঃ) দেখে আর এক মিশরীয় নিজের জ্যাকেটটা খুলে মেলে দিলেন দ্বিতীয় সারির দুজনের সামনে। তাঁর দেখাদেখি আর এক গোরা মেমও (দেখে মনে হল ইউরোপিয়ান) নিজের জ্যাকেটটা খুলে রাখলেন বাকি দুজনের সামনে। যাতে অপরিস্কার মেঝেতে সেজদা দিতে তাঁদের অসুবিধা না হয়। কোনও আড়ম্বর নেই, হাঁকডাক নেই।

ইস! সারা দুনিয়ায় যদি এত সহজে ইসলাম ধর্মটা পালন করতেন সবাই…

1

No Comments Yet.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *